সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

Health Tips লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

এ্যলার্জি থাকলে সতর্ক হোন । (লক্ষণ ও চিকিৎসা)

অ্যালার্জির কারণে অনেকেরই নাভিশ্বাস হতে হয়। হাঁচি-কাশি ,  নাক দিয়ে পানি পড়া থেকে শুরু করে খাদ্য ও ওষুধের জন্য মারাত্মক প্রতিক্রিয়া ,  শ্বাসকষ্ট বা ত্বকে দানা বা চাকা হতে পারে অ্যালার্জির কারণে। এমনকি কখনো রোগী জ্ঞান হারাতে পারে। তাই অ্যালার্জিকে ছোট করে দেখা ঠিক নয়। কেন হয়? সাধারণত বস্তুবিশেষের প্রতি অতি সংবেদনশীলতার প্রবণতা মানুষ পরিবার থেকেই পেয়ে থাকে। যেসব শিশু জন্মের পর মাতৃদুগ্ধ পান করেনি ,  তাদের এই সমস্য বেশি। অ্যালার্জি থাকলে ওই বিশেষ পদার্থের সংস্পর্শে এলেই রক্তে অবস্থিত বিশেষ কোষ থেকে প্রচুর পরিমাণে হিস্টামিন ,  সেরোটনিন ইত্যাদি রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হতে থাকে। এই পদার্থগুলো দ্রুত সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে ও নানা উপসর্গ তৈরি করে। যেমন কাশি ,  হাঁচি ,  চুলকানি ,  শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি। কখনো রক্তচাপ কমিয়ে দিয়ে বিপদ ঘটাতে পারে। লক্ষণ ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন,  হঠাৎ করে শুরু হলো হাঁচি বা শ্বাসকষ্ট। কেউ হয়তো বেড়াতে গেছেন পার্কে ,  ফুলের রেণু নাকে যেতেই দম আটকে আসতে চাইল। গরুর মাংস ,  চিংড়ি ,  ইল...

যদি শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায়

  শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালা কমবে ৷ পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে ৷ সেখানে কোন দাগ থাকবে না ৷

চুলের অকাল-পক্কতা রোধের উপায়

বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল পাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যদি ১৫/২০ বছর বয়সেই পাকন ধরে তাহলে মনের অবস্থা কেমন হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আড় চোখে তাকালেই দেখা যায় আশে পাশের মানুষের মুচকি হাসি নতুবা হাজারও প্রশ্নে ভরা চোখের দৃষ্টি। মেলানিন নামক এক উপাদান চুলের রঙ নির্ধারণ করে , এর উৎপন্নের পরিমাণ কমে গেলেই চুল সাদা হওয়া শুরু করে মানে চুল তার পিগমেনটেসন হারায়। আর একবার পাকা শুরু করলে এর পরিমাণ যেন দিন দিন বাড়তেই থাকে। কিন্তু হয়ে গেলে কিছু করার থাকেনা তাই আগে থেকেই এই ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। স্ট্রেস থেকে দূরে থাকুনঃ স্ট্রেস চুলের অকাল-পক্কতার প্রধান কারণ। হাসি খুশিতে জীবনটা ভরিয়ে তুলুন। দিনে কয়েকবার লম্বা শ্বাস নিন আর ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। হাজার ব্যস্ততার মাঝেও নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করে নিন। টেনশান কাটানোর জন্য অনেক সময় নিয়ে গোসল করুন। ধূমপান পরিহার করুনঃ বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত হয়েছে যে ধূমপান শরীরের premature ageing এর জন্য দায়ী। ধূমপান বন্ধ করলে circulation পর্যাপ্ত গতিতে চলে আর চুলের অকাল-পক্কতাও রোধ হয়। তাহলে দেখলেন তো সি...

ব্রণ সমস্যা সমাধানের ১১ টি টিপস

শতকরা প্রায় ৭০% মানুষেরই বয়সন্ধিক্ষনে ব্রন সমস্যাটা খুব স্বাভাকিব ব্যাপার। আর এ সমস্যা থেকে উত্তরনের জন্য স্বাভাবিক জীবন যাপনে কিছু সাধারান নিয়ম কানুন মেনে চললেই পরিত্রান পাওয়া যায়। ১. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মুখমন্ডল নিয়মিত পরিষ্কার রাখা। দিনে অন্তত দু’বার ‘ফেসওয়াস’ দিয়ে মুখ     ধুয়ে ফেলুন বিশেষ করে বাইরের ধুলোবালি থেকে আসার পর ও ঘুমাতে যাবার আগে। ২. যাদের মুখমন্ডল তৈলাক্ত তারা তৈলবিহীন প্রসাধন সামগ্রী ও লোশন ব্যবহার করুন। ৩. মুখমন্ডলে ব্রণ হলে তাতে খোঁচাখুঁচি করা, চাপ দেয়া ও চিমটি কাটা থেকে বিরত থাকুন কারণ এতে      ইনফেকশন হয়ে স্থায়ী দাগ পড়ে যেতে পারে। ৪. ভিটামিন ও আঁশজাতীয় শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খাবারের তালিকায় রাখতে হবে। ৫. অধিক লবণাক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ৬. অতিরিক্ত সূর্যালোকে চলাফেরা করার সময় ছাতা বা সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন। ৭. যারা শো-বিজে আছেন, তাঁরা বাড়ি ফিরে মুখের মেকআপ ভাল করে তুলে ফেলুন। ৮. মানসিক চাপ পরিহার করুন। চিন্তামুক্ত ও ফুরফুরে জীবনযাপন করুন। ৯. দৈনিক কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে ...

হঠাৎ পেটব্যথায় অবহেলা নয়

হঠাৎ পেটব্যথা??? বুঝতে পারছেন না এটি গ্যাস্ট্রিক, নাকি অন্য কিছু। কী ওষুধ খাবেন, কার কাছে যাবেন, তা-ও বুঝতে পারছেন না। পেট যেন এক আজব কারখানা। ভেতরে রয়েছে অনেক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। যে পরিমাণ অন্ত্র পেঁচানো অবস্থায় আছে, তা সোজা করলে মাইলখানেক লম্বা হবে। তাই পেটে ব্যথার সঠিক স্থান, ধরন-ধারণ, আনুষঙ্গিক উপসর্গ ইত্যাদি মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা তো আছেই। প্রথমেই খেয়াল করুন ওপরপেটে ব্যথা হচ্ছে, না তলপেটে। ওপরে হলে ব্যথা এক আঙুল দিয়ে নির্দেশ করলে সেটা কোন জায়গায় পড়ে—ওপর ডান, নাকি ওপর বাম? ব্যথাটা কোন দিকে ছড়াচ্ছে? কামড়ে ধরে আছে, নাকি চিন চিন করছে, না জ্বালা করছে? সঙ্গে বমি, অরুচি, পায়খানার সমস্যা ইত্যাদি আছে কি না। কোনো কিছু খেলে বাড়ে, নাকি খালি পেটে বাড়ে?  জেনে নিন পেটব্যথার ধরন:   পেপটিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা সাধারণত পেটের ওপরদিকে মাঝখানে শুরু হয়। এটি খালি পেটে বাড়ে, কখনো চিনচিনে, কখনো জ্বালাপোড়ার মতো মনে হয়। এর সঙ্গে বমিভাব, টক ঢেঁকুর, পেট ফাঁপা ইত্যাদি থাকতে পারে। এন্টাসিড বা অন্য গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে বেশ উপশম মেলে। এ...

রোগ প্রতিরোধে দৈনন্দিন খাদ্য

আমাদের গ্রহণ করা দৈনন্দিন খাদ্যের মধ্যেই রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধ উপাদান ও পুষ্টিগুণ। তবে এসব খাবার নিয়মিত গ্রহণ করলেও আমরা জানি না কোন ধরনের খাবারে কি ধরনের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ রয়েছে। আটা ও ময়দার রুটি আমাদের খাদ্যতালিকার একটি নিয়মিত খাবার। শ্বেতসার জাতীয় এ খাবারের মধ্যে আছে পর্যাপ্ত ভিটামিন বি-৬ বা পাইরোডক্সিন। পাইরোডক্সিন প্লিহা ও থাইমাস গ্রন্থির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। শরীরের এই অর্গান দু’টি রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া ঘি, দুধ ও দগ্ধজাতীয় খাবারে থাকে ক্যালসিয়াম। শাকসবজি, মাছ, চীনাবাদাম ও ডালের মধ্যেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। এই ক্যালসিয়াম শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আরেকটি খনিজ উপাদান ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শরীরের ইমিউন বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতেও সহায়তা করে এটি। সামুদ্রিক মাছ, মুরগি, লিভার, ডিমের কুসুম, শস্য জাতীয় খাবার, ইলিশ মাছ, মাছের তৈল ইত্যাদির মধ্যে থাকে খনিজ লবন সেলেনিয়াম। সেলেনিয়ামও শ্বেত কণিকা ও ইমিউন এনজাইমের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

একটানা বসে থাকা ধূমপানের মতোই ক্ষতিকর !!!

গত জুনে শিকোগোয় ‘আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’-এর বার্ষিক সম্মেলনে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সন্দেহ নেই, দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থাকা ক্ষতিকর। কর্মস্থলে এর বিকল্প কী হতে পারে, তা দেখা জরুরি।’ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কম্পিউটারে কাজ করার ব্যবস্থা এবং ‘আইসোমেট্রিক বল’-এর মতো শারীরিক কসরতের কিছু জিনিস অফিসে মজুত রাখার পক্ষেও প্রস্তাব করেছে অ্যাসোসিয়েশন। এ প্রসঙ্গে কাজের ধরনের পাশাপাশি বর্তমান প্রজন্মের ‘অতিরিক্ত প্রযুক্তিক’ মানসিকতার বিষয়টিও উঠে আসছে। চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য: এখন আইটি সেক্টর থেকে শুরু করে ব্যাংক, মিডিয়ার মতো বহু ক্ষেত্রে একটানা বসে কাজ করাটাই নিয়ম। আবার অল্পবয়সীদের মধ্যে বাড়িতেও বসে থাকার প্রবণতা বাড়ছে। ক্ষতির কারন সম্পর্কে চিকিৎসকদের ব্যাখ্যা: চলাফেরায় যে সব পেশি ব্যবহার হয়, দিনের পর দিন দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে তার কর্মক্ষমতা কমতে থাকে। পেশিগুলোর ঘনত্ব, শক্তি কমে যায়। নষ্ট হয় কোলাজেন তন্তুর নমনীয়তা। হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে রক্ত ও অক্সিজেন পাঠায়। কায়িক পরিশ্রমের সময়ে সংশ্লিষ্ট অঙ্গের কোষে কোষে বাড়তি অক্সিজেনের ...

পায়ের পরিচ্ছন্নতায় যা করবেন

নোংরা পানি, কাদা আর ধুলাবালি তো পথ চললে পায়ে লাগবেই। কিন্তু সঠিকভাবে পা পরিষ্কার করে এদের বিদায় আপনাকেই করতে হবে। পথ চলতে যতটা সম্ভব এদের বাঁচিয়ে চলতে চেষ্টা করুন, আর যদি কবলে পড়েই যান কী করা? যত দ্রুত সম্ভব পা দুটি ধুয়ে নিন। যদি রাস্তায় সে ব্যবস্থা না থাকে, টিস্যু দিয়ে পা আপাতত মুছে নিন। মনে করে ব্যাগে ভেজা টিস্যু (ওয়েট টিস্যু) রেখে দেবেন। পা ধোয়ার সময় গোড়ালি, নখের কোনা, আঙুলের ফাঁক এসব স্থান ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।                                                                                                                                                           পায়ের পরিচ্ছন্নতা ...

কিভাবে স্লিম হব

বর্তমান দুনিয়ার সর্বত্রই দেখা যাচ্ছে স্লিম ফিগারের জয়জায়কার। সকলেরই একটাই চিন্তা, কিভাবে স্লিম হব। স্বীকার করতেই হবে, স্লিম হতে হলে আপনাকে ওজন কমাতে হবে। আজ আপনাদের দেব সে ধরনেরই কিছু টিপস। এর দ্বারা পরিপূর্ণ সুফল পাবেন কিনা জানি না। তবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন আপনার ওজন। যা আপনাকে স্লিম হতে সাহায্য করবে। প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। আর প্রতিবার খাওয়ার আধা ঘন্টা আগে অন্তত এক গ্লাস পানি পান করুন। ভাত, আলু ইত্যাদির মত উচ্চ শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খান। আর খাওয়ার সময় অতিরিক্ত লবন খাওয়ার অভ্যাসটা বাদ দিন। সাধারণ চা কিংবা কফির পরিবর্তে গ্রীণ টি খাওয়া শুরু করুন। কম ক্যালরিযুক্ত ফলমূল যেমন- শসা প্রচুর পরিমানে খেতে পারেন। তিক্ত স্বাদের সবজি খেতে আমরা অনেকেই অস্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কিন্তু এটি আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে। টক জাতীয় ফল বা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেতে পারেন। মসলাজাতীয় খাবার যেমন: আদা, দারচিনি, কালো মরিচ ইত্যাদি ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাই এগুলো তরকারীতে পরিমান মতো খেতে পারেন। চর্বিযুক্ত খাদ্য এড়িয়ে চলুন। সর্বদা উচ্চমাত্রার ক্যালরি বিশিষ্ট এবং ফাস্টফুড ...

উচ্চ রক্তচাপ থেকে রক্ষা পাবেন কিভাবে?

উচ্চ রক্তচাপ বর্তমানে ব্যাপক প্রচলিত একটি সমস্যা। তাই আসুন, এ সমস্যা এবং তার চিকিৎসা সম্পর্কে আমরা মেডিসিন স্পেশালিস্ট ডা: তৌহিদুর রহমানের লেখা থেকে জানার চেষ্টা করি। একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০/৮০ মি·মি মার্কারী। বয়সভেদে এই রক্তচাপ বাড়তে পারে বা কমতে পারে। কারো রক্তচাপ সব সময়ের জন্য যদি বেশি মাত্রায় থাকে (যেমন-১৩০/৯০ বা ১৪০/৯০ বা তারও বেশি) যা তার দৈনন্দিন কাজ বা স্বাভাবিক কাজকর্মকে ব্যাহত করে, তখনই এই অবস্থাটিকে আমরা উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলি। কেন হয়? প্রাপ্ত বয়স্কদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কারণ নির্ণয় করা যায় না। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্বাভাবিক শারীরিক পরিবর্তনের ফলে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে হরমোন ও কিডনির ফাংশনজনিত জটিলতায় উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। অনিয়মিত লাইফ স্টাইল, অনিয়ন্ত্রিত ওজন, ধূমপান, এলকোহল, ফাস্টফুড খাবার গ্রহণ, রক্তে কোলেস্টেরল-এর আধিক্য এইসব কারণগুলোতে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ছোটদের ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদেরও উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। জেনেটিক কারণে, ফ্যামিলিয়ার হাইপারটেনশনের ক্ষেত্রে (মানে বাবা-মায়ের আছে বাচ্চারও হতে পারে), কিড...